Mosque (Baba Hujur) (Dhaka)

Bangladesh / Gazipur / Tungi / Dhaka
 Upload a photo

Mosque (Baba Hujur) is a mosque located in Dhaka. Mosque (Baba Hujur) - Dhaka on the map.
Nearby cities:
Coordinates:   23°48'2"N   90°22'10"E

Comments

  • মিরপুর কাজিপাডা থেকে ১০ এর দিকে যেতে একটা মসজিদ আছে (মনিপুরের দিকে যেতে) এটাকে সবাই বাবা হুজুরেরে মসজিদ নামে চিনে।মসজিদ টার নাম বায়তুল রহিম। ১৯৬৪ সালে প্রতিস্থিত। মসজিদটার খোলা মেলা পরিবেষ আমার খুব ভাল লাগে আর আমার বাসার কাছে তাই আমিও এখানে নামায পডী। কিন্তু এখানে বাবা হুযুর নামে এক পিরের মাজার আছে যা একদম মসজিদের সাথে লাগোয়া, এবং মসজীদের এক অংশে একটা বড মাদুর পাতা আছে মাজারের সাথে যেখানে মানুষ মাজারের দিকে পিরে নামায পডে আবার মসজিদের দিকে পিরেও নামায পডে। আমি প্রায় দেখি কেউ নামায শেষ করে আবার মাজারে সিজদা করে আবার কেউ সোজা এসেই মাজারের দিকে পিরে নামায পডে বা সিজদা করে। আমার খুব দুঃখ লাগে। চোখের সামনে এমন ভাবে মানুষ কে শিরক করতে দেখে।শিরক একটি জঘন্য পাপ।মাজারে সিজদা দেয়া এবং মাজারে কোন কিছু মানত করা শীরক।সিজদার মালিক একমাত্র আল্লাহ।শীরক এত টাই জঘন্য পাপ যে কেউ যদি সারা জীবন নামাজ পডে রোজা রাখে এবং হজ্জও করে আসে আর একবার মাজারে সিজদা দেয় তার জিবনের সমস্ত আমলই নষ্ট হয়ে যায়। শিরকের গুনা আল্লাহ সহজে ক্ষমা করেন না যদি না আল্লাহর কাছে তওবা করে পিরে আসে।আর শিরক করে মারা গেলে জাহান্নাম নিশ্চিত। এই মসজিদের বর্তমান ইমামও একজন বেদাতি ইমাম। তিনি সুরা ফাতেহাটাও শুদ্দ করে পডতে পারেন না- বিশেষ করে "রা" এর "র" উচ্চারন "খা" এর খ উচ্চারন। আল্লাহ শব্দের আকারের উচ্চারন করেন, রব শব্দের রাব মানে রাব্বিল উচ্চারন করেন।অথচ তিনি নাকি টাইটেল পাশ মাওলানা-!! দীর্ঘ ২৭ বছর নাকি এইখানে আছেন বা ইমামতি করেন!! তিনি মসজিদের নিয়মিত বিশেষ করে প্রতি শুকবারে নামাযের পর মিলাদ পডান।এবং মসজিদে মিলাদের পক্ষে জুমার খুতবা দেন।ইমাম সাহেব নিজেই জানেন না যে মিলাদ পডা চরম বিদাত। শুধু বিদাতই নয় হারাম।যারা বিদাত করে তাদের কপালে হাউজে কাউচার এর পানি জুটবে না। অথচ এখানে অনেক মুস্ললি হয় নামাজে। কেউই একটু প্রতিবাদ করে না-!!! এখানকার মুতয়াল্লি সাহেব খুব প্রভাব শালি মানুষ তার জন্য ঠিক ইমামের পিচনের জায়গায় একটা মাদুর সব সময় পাতা থাকে-!!উনি সবার পরে আসলেও তার জন্য নিরধারিত জায়গায় বসে নামায পাডেন। আর ইমাম সাহেব এত দ্রুত নামায পডান যে ৩য় ও ৪র্থ রাকাতে সুরা ফাতিহা পডে শেষ না করতেই তিনি রুকুতে চলে যান- কোন রকমে ৩ বার সুবাহানাল্ল রব্বিয়াল আজিম বলে আবার উঠে যান আবার সিজদা - এই ভাবে চলতেই থাকে- যা আল্লার রসুল (সঃ) নিষেদ করেছেন-আপনি যে ধীর সুস্থে নামায পডবেন এটা এখনে সম্ভব নয়। আমার মনে হয় উনি নামাজে দাডাইলে পেট কামডায় (বাথরুমে যাবে আর কি)- তাই এত দ্রুত নামায পডেন ও পডান। কিন্তু কেউ কিছুই বলেন না- শেষে একদিন ইমাম সাহেব কে সরাসরি বললাম। তিনি আমাকে বললেন,তার হানাফি মাজাহাবে ইমামের পিচনে ফাতেহা পডার নিয়ম নাই,আর যদি আমার ফাতেহা পডা শেষ নাও হয় ইমামের সাথে অর্ধেক ফাতেহা পডেই রুকুতে যেতে, কারন ইমাম কে মানা ফরজ।আমি বললাম আপনি ফাতেহা টা একটু আস্তে বা ধীরে পডলে তো মক্তাদিদের ও পডা শেষ হয়ে যায়, তিনি বললেন- সেটা আমার বেপার।আমি দ্রুত পডী আর ধীরে পডী, আপনার কথা শুনা আমার ইচ্ছা- বাধ্য না আমি। তারপর আরও অনেক কথা হল- তিনি সব কথায় ই বাঁকা উত্তর দিলেন। এবং এখনও আগের মত ই পডান।আমি জানিনা আকিদা গত ভাবে বেদাতি এই ইমামের পিচনে নামাজ পডলে তা আল্লাহ কবুল করবেন কিনা-?? কি আর বলবো- কাকে বলব। এই ইমাম মসজিদ টাকে শীরক আর বেদাতের কারখানা বানাইয়া রাখচে- এতে তার ইমকামও ভাল।মানুষ তাকে দিয়ে মিলাদ পডাইলেই তো ভাল ।কারন পেট ভইরা খাওনও গেল কিছু উপুরি বকশীসও পাওয়া গেল।(এটা মোল্লাদের পুরান ধান্দা) মাশাল্লাহ তার ভুডী টাও সেই রকম হইছে।আর মসজিদ কমিটির কথা কি বলব। এই ইমাম ই কমিটিকে আন্দা বানাইয়া রাখচে ভুল ফতোয়া দিয়া।মসজিদ কমিটির মানুষ গুলা কেউই অশিখিত না, কিন্তু তারা ইমামের ফতুয়ার কাছে হেরে গেছে। আমার এই লিখাটা যদি এই মসজিদের কোন মুস্লল্লির চোখে পডে তবে আসুন আমরা সাবাই মিলে এই গুলাকে শুধরে দিই, আমি একা ২ দিন মুয়াজ্জিন সাহেব কে ডেকে বলেচি, দেখেচি তাতে কোন লাভ হয় নাই। সাবাই মিলে বা কয়েক জন মিলে বল্ললে হয়ত কাজ হবে। - আল্লাহ আমাদের সঠিক আমল করার তফিক দিন- আমিন
This article was last modified 13 years ago