Avinash gupta home (Howrah)

India / Bangla / Haora / Howrah / snatan mistri lane howrah-711106, 14/21/5
 Upload a photo

Very densely populated area in howrah. It is 10 minutes from Howrah Station by auto or hand rikshaw.
Nearby cities:
Coordinates:   22°35'44"N   88°20'15"E

Comments

  • I live In Oria para The Actual Name of Oriapara is "Sanatan Mistry Lane" but the locals known as Oria para. People from All Community Live here mostly, Though it is in Bengal people here mostly speak Bhojpur and Hindi.
  • Hi,I am a resident of oria para however staying in delhi from the last 1 year...missing my locality
  • hi i m resident of orria para though it is very densly populated but living in this area is a unique experience
  • Hi,I am living in oria para actually it is Sanatan Mistri Lane,Situated in Howrah of west bengal, Living and the locality is a unique experiance of this area.
  • My holding no- is 44/2,sanatan mistri lane since 50 years and even more since my gramd parents,people are very freindly and co-operative.
  • hi,I live at 44/2 sanatan mistri lane since 15 year with my parents i study in don bosco school my society is wel an good for all peoples
  • গতি পাণ, ক্লেমান্ট মারান্ডি ও শচী পট্টনায়েকের লোড়া ( অবিচ্ছেদ্য আবশ্যকীয়) ছিল এক নিরাভরণ আঁধার যেখানে নিজেকে পূর্ণ উন্মোচিত করতে লজ্জা চোখ টেপে না. ঘর বলে এক চৌহদ্দি ছিল ভূগোলে নয় ঘিলুর ভেতর. প্রকাশ্য প্রাত্যহিকতায় সে নানা রকম মুদ্রা করে অবেক্ষকদের বিভ্রান্ত করত. কেউ বলত ওরা ডোবা, মশার আঁতুর. কেউ বলত ব্যাটারা নেমোখারাম ভেজা বেড়াল. অথচ ওদের আঁধার ছিল ওদের অতি বিশ্বাসী যৌথ আশ্রয়স্থল, একান্ত আপনার. সত্যি বলতে কি মুঠো-পখাল বা কেরান্ডি-সেউল দুস্প্রাপ্য হয়ে ওঠার আগেই এক সমাজ-বৈজ্ঞানিক সুত্র তাদের স্থানচ্যুত করেছিল, যেমন করে কর্ষিত পাকা ধানের গন্ধ শান্ত মাতঙ্গযূথকে. হোমিনিড আবিস্কার করত সৃজনের নেশায়, সে নেশার এক সমান্তরাল ছায়া-নেশা সকল আবিস্কারকে জৈব বাঁচনের হাতিয়ার করত. এই ভাবেই তৈরী হয়েছিল প্রযুক্তি বিদ্যা. এই ভাবেই বিবর্তিত হয়ে এলো হোমো স্যাপিয়েন্স. প্রকৃতি বড় একা, তাই নিজেকে ভেঙ্গেই ভূমা সৃষ্টি করে, আবার বিচ্ছেদের রোদন তাকে মিলিয়ে দেয়ে বিন্দুতে. সত্ত্বার যত আলোড়ন সবই এই প্রকৃতির মহা স্পন্দনের অনুরণন. গতির বাপ গিয়েছিল কলিকতার ঝুটকলের(জুট মিল) ঠিকে মজুর হয়ে. গাঁয়ে তো জানাই আছে মুঠো-পখাল শাগ-সিজার অভাব ছিল না. ফি-বছর বর্ষার আগে চালা উড়ে গেলেও গাঁয়ে তো নড়া-তালপত্রের অভাব ছিল না, চ্ছাদিত হয়েই যেত. বাপ দরমার পয়সা গাঁয়েও পাঠায়নি বা টকিজে সিনেমা দেখেও ওড়ায়নি. ঝুটকলের গেটে ভাতের হোটেল দিয়েছিল. শুরুতে সে হোটেলে মিলের শ্রমিকরাই খেত. ক্রমে সে হোটেল বড় হোলো অন্যান্য পথচারীরাও খেতে আসতে থাকলো. তাই ঝুটকল স্থায়ী ভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পড় সেই হোটেলে কোনো প্রভাব পড়েনি. গতির যখন চোদ্দ বছর হোলো তখন বাবা নিয়ে গেল কলিকতা, প্রথম প্রথম হোটেলেই খাবার দেওয়া এমন কি এঁট বেঞ্চি সাফ করার কাজ করতে হত. তারপর তদারকির কাজ, বাজার-টাজার গুনে-গেঁথে নেওয়া. ক্রমশ ক্যাশে বসা, ম্যানেজার হয়ে. বাবাও গাঁয়ে ফিরে গিয়ে ঘর কোঠা করলো. ছেলের বিয়ে দিল. বোহু(পুত্র বধু) গাঁয়েই থাকলো. এই রজ সাবিত্রী-উষায় যা যাওয়া আসা, নইলে টাকা পাঠিয়ে দিলেই খালাস. শোনা যায় সোনাগাছিতে গতির বাঁধা টোকি আছে. হোটেলের ব্যবসা ভালো চলার ফলে মূলধনও কিছুটা তৈরী হোলো, অত দিনের পুরনো হোটেল.বাবার আমলের , হবে নাই বা কেন. চৌরাস্তার মোড়ে গতি বছরখানেক হোলো একটা ঘর ভাড়া নিয়ে সাইবার কাফে খুলেছে. খুলতে না খুলতেই পসার দারুন জমে উঠেছে. গোটা আষ্টেক পিসি, দুটো লেসার প্রিন্টার, একটা ইন্কজেট, রাত দিন সব সময়েই ব্যস্ত... ও আজকাল। গতির সাইবারে ক'দিন আগে পুলিশ রেড করেছিল. শোনা যাচ্ছে করত না, যদি গতি তোলার টাকাটা ঠিকঠাক দিত. পাড়ার নতুন এমএলএ জটুদাকে আজকাল সব মাস্তানদেরই পার্সেন্টেজ দিতে হয়. জটুদার হিস্যা আগের নেতাদের থেকে বেশি. বাধ্য হয়ে মাস্তানদেরও তোলার রেট বাড়াতে হয়েছে. তা গতি তার সনাতন গতি থেকে বিচ্যুত হতে চায়নি. তাই বিপত্তি. মাঝ রাতে হানা দিয়ে পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে গতি ও তার ফাইন্যান্সার শচিকে, ব্লু ফিল্ম শুটিং করতে আসা টোকিদের সমভিব্যহারে. মিডিয়া কভারেজে জানা যাচ্ছে টোকিদের চারজন কেউই সোনাগাছির নয়. দু জন শহরতলির ও কদ্যপি বিবাহ-বদ্ধা. একজন কুলগাছিয়ার, কলকাতায় পেয়িং গেস্ট থাকত. বিশাল ইন্সটিটিউশন অফ ফ্যাশন টেকনোলজিতে শিক্ষার্র্থী. আর একজনের বাড়ি ভদ্রক. সে কুলগাছিয়ার মেয়েটার সাঙ্গ। একই জায়গায় পেয়িংগেস্ট ছিল, তবে প্যারামেডিকাল কোর্স করত। সে ছিল ক্লেম্যান্ট মারান্ডির ঝিয়ারি। ক্লেম্যান্ট বড় লোক। বড় ইন্ডাস্ট্রিতে চাকরি করে। ওরই পরামর্শে ভাই ওকে কোলকাতায় পড়তে পাঠিয়েছিল। মারান্ডির গাঁয়ে তো আর বিঊটি পার্লার নেই, যেমন নেই শপিং মল,তাই খরচও নেই। কটা ছবি তুলে যদি প্রসাধনের খরচটা উঠে আসে মন্দ কী। বাড়িতেও কৈফিয়ৎ দিতে হবে নাঃ খরছা কেন বাড়ল। গতি বুঝতে পারেনি মারান্ডি উৎকল আগত। বাঙ্গালায়ই তো কথা বলছিল, তাই ভেবেছিল পুরুলিয়ার ওই দিকের কুথাকার। গতির বেল পেতে দেরী হলো না, জটুদা জিন্দাবাদ। আর মেয়েদুটোর জামিন বহির্শক্তির প্রভাব, গতির অবগতির অসাধ্য এবং নিষ্প্রয়োজন। গতি যা বোঝেঃ সোনাগাছির মেয়েগুলো লেখাপড়া শেখে নি, তাই ওই স্থানে অবস্থান। আর এই মেয়েগুলো লেখাপড়া জানে, আরও শিখছে, তাই তার শুটিংএর হিরোইন। যার আছে সে দেখাবে, যে ইচ্ছুক সে দেখবে... এর মধ্যে ফেসিলিটেটর হিসেবে সে যদি ন্যায্য ফীসটুকু নেয়ে, কার বাপের কী? এই ঘটনার অভিজনতাই গতিকে অর্থনীতির অনুভব দিলোঃ অর্থনীতি হলো স্থানচ্যুতিঃ প্রাকৃতিক থেকে একটু সরে আসাই অর্থনীতি।
  • Show all comments
This article was last modified 11 years ago